দুই প্রতিবেশীর সম্পদ ও শক্তির সমতা থাকার জন্য বিভিন্ন বিষয়। নিয়ে পরস্পরের মধ্যে বিরোধ থাকলেও তারা সরাসরি সংঘর্ষে জড়ায়
না। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে বৈরী সম্পর্ক বিরাজমান।
হ্যাঁ, আমি মনে করি, উল্লিখিত স্নায়ুযুদ্ধজনক পরিস্থিতি বিশ্ব কিবাজনীতিকে দ্বিমেরুকেন্দ্রিক করে তোলে।
ময়ুযুদ্ধ বা ঠান্ডা লড়াই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক অতিশয় আলোচিত বিষয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে এর শুরু হয় এবং অবসান হয় সোভিয়েত ইউনিয়নের ভাঙনের পর ১৯৯১ সালে। ঐতিহাসিক এ স্নায়বিক যুদ্ধ চলাকালীন বিশ্ব বিভক্ত হয়ে পড়েছিল দুটি ভাগে। একপক্ষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল বিশ্বের প্রায় সব পুঁজিবাদী রাষ্ট্র। অন্যদিকে, সমাজতান্ত্রিক শিবিরের নেতৃত্বে ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। এই দুই বৃহৎ শক্তির দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটে স্নায়ুযুদ্ধের মাধ্যমে। অদ্যাবধি স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার বিভাজন থেকে বের হতে পারেনি পৃথিবীর আদর্শিক দ্বন্দ্বের ধারক দেশগুলো। বর্তমান সময়ে চলমান ইউক্রেন যুদ্ধ এবং তাইওয়ানকে ঘিরে সৃষ্ট চীন-মার্কিন উত্তেজনা স্নায়ুযুদ্ধের আধুনিক পর্ব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ১৯৪০-এর দশকে সৃষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শগত বিভাজন আধুনিককালেও যে বর্তমান তা চোখ-কান খোলা রাখলে স্পষ্টত দৃশ্যমান।
সুতরাং স্নায়ুযুদ্ধ যে বিশ্বকে দ্বিমেরুকেন্দ্রিক করেছিল এবং তার প্রভাব যে এখনও চলমান তা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?